"মহাপুরুষের বাণীই তার জীবনী"-- এমনই একটা কথা সাধু-মহাত্মাদের সম্বন্ধে প্রচলিত আছে। কোন মহাত্মার অন্তর্জীবনের কথা, তার ভাব্ জীবনের কথাই তার প্রকৃত পরিচয়। এই অন্তর্জীবনের সংবাদ আমরা পাই তার উপদেশে, তার লিখিত পত্রবানীতে। সেই বিচারে শ্রীশ্রীঠাকুরের একটি আধ্যাত্মিক পরিচয় তার এক পত্রাবলিতে পাওয়া যাবে। তবুও লৌকিক জীবনে যিনি সাধারণ মানুষ হয়ে জন্মগ্রহণ করেন এবং পরে অধ্যাত্ম পিপাসায়ে ব্রাহ্মজিজ্ঞাসু হয়ে জীবনের পুর্ণতায়ে পৌছান, তার একটি লৌকিক জীবনের প্রয়োজনীয়তা খুব একটা কম নয়। সেই ভাবনায়ে শ্রীশ্রীঠাকুরের মুখ্য কয়েকটি কথা সংক্ষিপ্ত আকারে যতদূর জানা গিয়েছে, তাহা এখানে পরিবেশিত হলো।
শ্রীশ্রীঠাকুরের শুভ আবির্ভাব হয়ে ১০ই কার্তিক, ১৩১০ সনে গোপাষ্টমি তিথিতে, মালদহ শহরের মহানন্দা নদীতীরে অবস্তিথ বাচামারী গ্রামে। তিনি ছিলেন পিতা সুরেশ চন্দ্র মিত্র বর্মন ও মাতা গরবিনী দেবীর জ্যেষ্ঠ সন্তান । কিন্তু শৈশবে ঠাকুর তার পিসেমশায় সারদা প্রসাদ সিংহ ও পিসিমা সুখদা দেবীর স্নেহাশ্রয়েই অধিকাংশ সময়ে লালিত পালিত হন। জমিদার পরিবারে জন্মগ্রহণ করেও শ্রীঠাকুর বিষয়ে আসক্ত ছিলেন না । ছোটবেলা থেকেই রাত্রে শ্মশানে গিয়ে বসে থাকতে ভালবাসতেন। এই সময় হিমালয় অঞ্চলের কোন এক সাধু বাচামারীতে এসে কিছুদিন ছিলেন।
শ্রীশ্রীঠাকুরের শুভ আবির্ভাব হয়ে ১০ই কার্তিক, ১৩১০ সনে গোপাষ্টমি তিথিতে, মালদহ শহরের মহানন্দা নদীতীরে অবস্তিথ বাচামারী গ্রামে। তিনি ছিলেন পিতা সুরেশ চন্দ্র মিত্র বর্মন ও মাতা গরবিনী দেবীর জ্যেষ্ঠ সন্তান । কিন্তু শৈশবে ঠাকুর তার পিসেমশায় সারদা প্রসাদ সিংহ ও পিসিমা সুখদা দেবীর স্নেহাশ্রয়েই অধিকাংশ সময়ে লালিত পালিত হন। জমিদার পরিবারে জন্মগ্রহণ করেও শ্রীঠাকুর বিষয়ে আসক্ত ছিলেন না । ছোটবেলা থেকেই রাত্রে শ্মশানে গিয়ে বসে থাকতে ভালবাসতেন। এই সময় হিমালয় অঞ্চলের কোন এক সাধু বাচামারীতে এসে কিছুদিন ছিলেন।
Besh bhaloi hocche!
ReplyDelete